বন্দিশ ঘোষ এর কবিতা
ছন্নছাড়া
রাস্তা ছেড়ে দাঁড়াও –
আমার বাড়ি ফেরার দিন এসে গেছে,
বস্তি ভেঙে যায়,
একতলা বাড়ি হয় দুতলা
চারতলা হয় আটতলা –
ক্রমশ দিঘির পাড়ে নারকেল গাছ
ভাবে আর হাসে
রহস্যময় দিগন্ত রেখার দিকে তাকিয়ে…
সে রাস্তার কোনো শেষ নেই,
তখন বুঝি জাগতিক অর্থে আমি ছন্নছাড়া –
নির্জন পৃথিবীর এই ঘুরন্ত চাকার হিজিবিজি রহস্য
আমার মাথায় ঢোকে না…
সাড়াশব্দহীন এলোমেলো ভাবনার পোকাগুলো
মাঝেমধ্যেই নড়ে ওঠে আমার মাথার ভেতর…
শত্রু
রাতারাতি হিসেব হয়ে যায় অদৃশ্য
আলিঙ্গনে চমকে উঠি –
দেখি শত্রু আমার সামনে বসে
বড়ো বড়ো হা করে খাচ্ছে মহামাংস…
আমরা তার গলায় বকলস-আঁটা ক্রীতদাস,
ভয়ে বুক কাঁপে,
এই লণ্ডফন্ড পৃথিবীর এক কোণায়
পড়ে আছি আমি,
আর শত্রু আমায় ধমক দেয় বজ্রশব্দে
আমি বিদ্ধ হই তীক্ষ্ণকোঁচে
আমার ঘুমের ভেতরে, স্বপ্নে
দিশেহারা পাগলের মতো…
