সৌরভ মহান্তি এর কবিতা
ঈর্ষা
১.
আমাকে রাখেনি কেউ। এই ভর দুপুরে একলা চুপ করে বসে থাকি। পাতা ঝরা বিকেলের মত একটা নিস্তরঙ্গ জীবন চেয়েছিলাম আমি।অথচ, চোখের জলের মত নিঃশব্দে ঢেউ এসে ভেঙে গেছে বারবার। এই ভাঙা চোরা অস্থির মন নিয়ে আমি একটি মানুষের কাছে যেতে চেয়েছি বারবার। অথচ দু-পা এগিয়ে, পিছিয়েছি মাইল খানেক। মনে মনে ভেবেছি, আমার উঠোন জোড়া বিষণ্নতা তাকে যেন স্পর্শ করে না কোনোদিন। তাই তার ভবিষ্যতের সিঁদুর-শাখা-পলা জীবন থেকে গুটিয়ে নিয়েছি নিজেকে।
এখন আমার সারা ঘর জুড়ে একটা বাতাস বইতে থাকে শুধু। কোথাও যাবো না আর, কাউকে দেখাবো না মুখ — এই অভিমান নিয়ে মুখ গুঁজে পড়ে থাকি।
আমার এই অস্থিরতা নিয়ে তোমার ভালো থাকা শাশ্বত হোক।
২.
হাওয়া ফিরে ফিরে আসে। তোমাকে পাই না সর্বক্ষণ…
ভিড় বাসে, রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ আসা লেখার মত ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছো তুমি আমার জীবন থেকে। তবুও এই নিরন্তর যাওয়া আসার মাঝে তোমার থাকা। কোথায়, কোনখানে, কে তোমাকে পেয়েছে সারাক্ষণ?
শুধু এই ভেবে ভেবে আমার সারা ঘর বজ্র-বিদ্যুৎময়…
