পঞ্চম বর্ষ প্রথম সংখ্যা প্রবন্ধ
সুকান্ত ভট্টাচার্য: সময়ের ব্যতিক্রমী স্পন্দন
রাধাবল্লভ চক্রবর্তী
‘তারুণ্য’ শব্দটিকে যদি ভাঙা যায় ও তার প্রাণশক্তি খোঁজার চেষ্টা করা যায়, তাহলে বিবিধ উপাদান ও জ্বালানির মধ্যে যে দু’টি শব্দের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাবে, যা এই সময়ের প্রাণের চালকও হয়ে ওঠে, তা হল ‘প্রেম’ ও ‘প্রতিরোধ’, যাকে আমরা প্রসঙ্গের সুবাদে প্রতিবাদও বলতে পারি। আর এই তারুণ্য একটি আশ্চর্য সময়, কেননা, বয়ঃসন্ধি পেরিয়ে যদিওবা কেউ একটি ভিন্ন নতুন জৈবিক স্তরে প্রবেশ করে, ঠিক তেমনই তাকে জীবনের পরিপ্রেক্ষিতে সম্পূর্ণ ‘পরিণত’ও বলা যায় না। তবে তার লক্ষণগুলি যে এসে যায় বা তার বিকাশ ঘটতে থাকে, তা অস্বীকারের কোনও জায়গা থাকে না। এই স্টেজটিকে আমরা একটি সোপান হিসেবে ভেবে নিতে পারি ফলত। মানসিক নানান পরিবর্তন, সংলক্ষণ, অভিযোজন ও এদের মিথস্ক্রিয়া ভবিষ্যতের বহুমুখীনতা, তার মধ্য দিয়ে চলা ও নিজের বৃদ্ধি ও বিকাশের পথটি আপাত অর্থে সুগম না করলেও, তার সম্পর্কে একটি দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ তো করেই।
এতগুলো কথা যে-কারণে বলার প্রয়োজন বোধ করা হল, তা আর অন্য কিছুই নয়, বরং এক কিশোরের বা সঠিকভাবে বলা ভালো – সদ্য কৈশোরপর্ব শেষ করে আসা এবং ‘যৌবনের দূত’ হিসেবে আখ্যায়িত হওয়া একজনের কোন মনস্তত্ব কাজ করেছে বা করতে পারে তাঁর লেখায়, তার একটা অনুমান করে বাকি দিকগুলোর বিবেচনা করতে ও এগিয়ে যেতে।
অনেকখানি ভূমিকা করা হল যে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। যাঁর লেখা পাঠ করতে গিয়ে তাড়িত হয়ে এইসব দিকগুলি মাথায় এল এবং যাঁকে কেন্দ্র করে এই লেখাটি আবর্তিত হতে চায়, তিনি হলেন আমাদের বাংলা সাহিত্যের এক চিরতরুণ ও উজ্জ্বল নাম – সুকান্ত ভট্টাচার্য। যাঁর জন্মশতবর্ষ এই চলতি সালেই পালিত হবে। ২০২৬। অতএব, সহজ একটি অঙ্ক করে ফেললেই তাঁর জন্মসাল আমরা পেয়ে যাব। ২০২৬ থেকে ১০০ বিয়োগ করলে বিয়োগফল হিসেবে যা পাব, অর্থাৎ ১৯২৬, তা-ই হল তাঁর জন্মসাল। ১৯২৬ এর ১৫ আগস্ট। দিনটি যে এই আমাদের, অর্থাৎ ভারতবাসীর কাছে কী মূল্যবান, তা বলে বোঝাবার নয়! তার কারণ? বোধহয় তার কারণটা কাউকে বলে দেওয়ার দরকার পড়ে না। কেননা, এই সেই স্বপ্নের, মহার্ঘ্যসম দিন, যে-দিন আমরা অত্যাচারী, স্বৈরাচারী ব্রিটিশদের হাত থেকে স্বাধীনতা ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবারের জন্য তার স্বাদ অনুভব করতে পেরেছিলাম। তবে, এই ১৯৪৭ সাল কিন্তু উদ্দিষ্ট লেখাটির পরিপ্রেক্ষিতে একটি করুণ ও দুঃখবোধ নিয়ে আসবে, ‘স্বাধীনতা’ শব্দটি শুনে আমাদের মনে অজান্তেই যে হর্ষ জেগে উঠেছিল, তার বদলে। এই সেই সাল, যে সাল কেড়ে নেবে এই তরুণ এবং উল্লেখযোগ্য স্বরটিকে। সহজ করে বললে, এই সালে সুকান্ত মারা যান। আবার আমাদের একটি সহজ অথচ বেদনাময় বিয়োগ করে নিতে হবে। আর তা করার ফলে যে বিয়োগফলটি বেরোবে এক্ষেত্রে, তা হল কবি সুকান্তের জীবৎকাল। হ্যাঁ, মাত্র ২১ বছর উনি ইহলোকে সশরীরে ছিলেন। আমরা ‘ক্ষণজন্মা’ বলে যে শব্দটি ব্যবহার করে থাকি, সেটি ওঁর ক্ষেত্রে সঠিকভাবেই প্রযোজ্য। তাহলে এখন আমাদের প্রশ্ন আসতেই পারে মনে যে উনি এমন কী করেছেন বা সাহিত্যের ক্ষেত্রে এমন কী উল্লেখযোগ্য রচনা করেছেন যে তার জন্য আমাদের এই আয়োজন করে উদ্যাপনের? এর উত্তর এককথায় দেওয়া সম্ভব নয়। আর ঠিক সে-কারণেই আমাদের খানিক অধিক বাক্যালাপের দরকার। প্রসঙ্গত বলে রাখা দরকার – সুকান্ত তাঁর স্বল্পায়ু জীবনে কবিতা, গীতিগুচ্ছ, গল্প ইত্যাদি লিখলেও, তাঁর লেখার ধার মূলত দেখা গিয়েছে কবিতাতেই। অবশ্য এই প্রবন্ধে চেষ্টা করা হবে তাঁর চিঠিপত্রের মধ্যেও যে আদর্শ বা দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন, তা তুলে এনে এই লেখায় আলোচনা করার।
এক এক করে লেখাগুলি আলোচনা করার পূর্বে আমাদের আবার এই লেখাটির প্রথমে যে-দুটি শব্দ ব্যবহার করা হয়েছিল, তা নিয়ে কিছু কথা বলা আবশ্যক হয়ে পড়ছে। লিখেছিলাম যে, তারুণ্য মূলত যে দুটি আদর্শবোধের ওপর অধিক নির্ভরশীল, তা হল ‘প্রেম’ ও ‘প্রতিরোধ’। সুকান্ত এই দুটির মধ্যে যে আদর্শটি বেছে নিয়েছিলেন বা আমরা যদি একটু ঘুরিয়ে নিই কথাটিকে, তাহলে বলতে পারি, যে আদর্শটি তাঁকে দিশা দেখিয়েছিল তাঁর কাব্যযাত্রায়, সেই আদর্শটি হল ‘প্রতিরোধ’ বা ‘প্রতিবাদ’। আর তাঁর এই আদর্শটির উন্মেষ ঘটেছে এবং উদ্দীপিত ও উজ্জীবিত হয়েছে, যে বৈশ্বিক মতাদর্শের দ্বারা, তা হল কমিউনিজম বা সমাজতন্ত্রবাদ। এক্ষেত্রে বলে রাখি – এই দুটি শব্দের ব্যবহারগত বা আদর্শগত বা প্রায়োগিক ক্ষেত্রে কতটা পার্থক্য রয়েছে সেটা এড়িয়ে গিয়েই দুটি শব্দেরই মূল যে কথা, সাধারণের প্রাপ্য অধিকার অর্জনের কথা বলা ও তা বাস্তবে পরিণত করা, তা-ই আমরা বলব। মাথায় রাখতে হবে, সুকান্ত যে দশকে জন্মেছেন, তা সম্পূর্ণ বিশ্ব ইতিহাসের প্রেক্ষিতে অতীব গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে যেমন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, ও তার ফলে সম্পূর্ণ বিশ্বের ভূ-রাজনীতির পটপরিবর্তন রয়েছে, তেমনই সমাজতন্ত্রের ফলে শ্রেণীর অধিকার প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক ঘটনাও রয়েছে। আমরা বলশেভিক বিপ্লব বা অক্টোবর রেভ্যোলিউশন নামে পরিচিত সেই অভ্যুত্থানটির কথা এবং তার পুরোধাপুরুষ লেনিনের কথা সবচেয়ে বেশি করে বলতে পারি। শুধু আমরা কেন? সুকান্ত নিজেই ‘লেনিন’ শিরোনামে একটি কবিতা লিখেছেন, যার থেকে লেনিনের আদর্শে যে তিনি চরমভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন, তার স্পষ্ট আভাস পাওয়া যায়। আমরা যদি ভারত তথা আমাদের তৎকালীন বাংলার কথা ভাবি, তাহলে তাঁর এই আদর্শে অনুপ্রাণিত হওয়ার সঙ্গত কারণ খুঁজে পাব। আমরা তখন ব্রিটিশ শাসনাধীন, ফলে জাতীয় স্তর থেকে শুরু করে নানান গোপন বৈপ্লবিক কর্মকাণ্ডের দ্বারা দেশমুক্তির লড়াই তো চলছেই, কিন্তু আরও নিচু স্তরে যে শ্রেণী, তাঁদের সামান্য দু’মুঠো অন্নের অভাবে টিকে থাকতে না-পারা এবং তাঁদের সেই দৈনিক সমান্তরাল সংগ্রাম থেকে বেরিয়ে এসে জাতীয় স্বার্থে নিজেদের অর্পণ করতে না-পারার এক দ্বিমুখী সঙ্কট ও আপেক্ষিক ব্যর্থতা, তাকেই লিপিবদ্ধ করেছেন ও রূপ দিয়েছেন সুকান্ত। অর্থাৎ, জাতীয় স্বার্থের পাশাপাশি শ্রেণীস্বার্থের অত্যাবশ্যক প্রয়োজন তুলে ধরা ওঁর আজীবনের ভাষা। তবে আরও ইন্টারেস্টিং এণ্ড ইম্পর্ট্যান্ট ফ্যাক্ট হল কখনওই ব্যক্তিস্বার্থকে প্রাধান্য না দেওয়া। যা সুকান্তকে জনমানসের কবি করে রেখেছে। সুকান্ত গভীরভাবে বিশ্বাস করেছিলেন যে তারুণ্যের জাগরণের ক্ষেত্রে মানুষের তৈরি ইতিহাস চূড়ান্ত বিষয়। আমরা দেখতে পাব, উনি যেভাবে সমসাময়িক উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলিকে লিখেছেন, যেমন – চট্টগ্রাম ’৪৩, সেপ্টেম্বর ’৪৬, ১৯৪১ সাল, রোম: ১৯৪৩, ১লা মে-র কবিতা ’৪৬ ইত্যাদি, তেমনই ‘সিপাহী বিদ্রোহ’-র মতো লেখা লিখে ইতিহাসচেতনাটিকে জাগরিত করে রাখেন। ইতিহাস বিষয়টিকে উনি কখনওই নেহাতই ঘটে যাওয়া ঘটনা ও পরে পাঠ্য হয়ে যাওয়া কিছু হিসেবে দেখেননি, বরং একটি পরিবর্তনের পট হিসেবে দেখেছেন এবং শুধু দেখেছেন তা-ই নয়, ইতিহাস যে কোনও স্থির কিছু নয়, নিয়ত পরিবর্তনশীল এক মুখ, যা আমাদের যৌথ হওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন বুঝে ক্রম পরিবর্তনের ডাক দেয়, তাকেই বোঝায়।
কিছু কবিতার লাইন দেখে নেওয়া ভালো বরং এবার –
‘লেনিন’ কবিতার কিছু লাইন – ‘পৃথিবীর প্রতি ঘরে ঘরে,/ লেনিন সমৃদ্ধ হয় সম্ভাবিত উর্বর জঠরে।/ আশ্চর্য উদ্দাম বেগে বিপ্লবের প্রত্যেক আকাশে/ লেনিনের সূর্যদীপ্তি রক্তের তরঙ্গে ভেসে আসে;/ ইতালী, জার্মান, জাপ, ইংলণ্ড, আমেরিকা, চীন,/ যেখানে মুক্তির যুদ্ধ সেখানেই কমরেড লেনিন।/ অন্ধকার ভারতবর্ষ : বুভুক্ষায় পথে মৃতদেহ-/ অনৈক্যের চোরাবালি; পরস্পর অযথা সন্দেহ;…’ বা এই কবিতার শেষ দুটি লাইন – ‘লেনিন ভূমিষ্ঠ রক্তে, ক্লীবতার কাছে নেই ঋণ,/ বিপ্লব স্পন্দিত বুকে, মনে হয় আমিই লেনিন।।’
অতএব, ওপরের লাইনগুলো পড়লেই আমরা বুঝতে পারব, লেনিন এখানে যত না একজন ব্যক্তি, তারও বেশি একটি চেতনা, একটি স্পার্ক, যে স্পার্ক প্রচলিত ও বদ্ধমূল অচলাবস্থা ভেঙে নতুন সমাজ সৃষ্টির মাধ্যমে আসলে ইতিহাস সৃষ্টি করবে। যে কথা খানিক আগেই আলোচিত হচ্ছিল – ইতিহাসের রূপরেখা, বিন্যাস ও পুনর্বিন্যাসের মধ্য দিয়ে সুকান্ত তাঁর কবিতাকে ফুটিয়েছেন। আর এই স্পার্ক সবচেয়ে বেশি স্ফুরিত হয় তারুণ্যে, যে তারুণ্য শুরু হয় ১৮ বছর বয়স থেকে। তো সেই সূত্র ধরে আমাদের তাঁর ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটির কিছু লাইন দেখে নেওয়া অধিক শ্রেয় – ‘আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ/ স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি,/ আঠারো বছর বয়সেই অহরহ/ বিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি।’ বা ‘এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়-’ বা ‘এ বয়স জেনো ভীরু কাপুরুষ নয়/ পথ চলতে এ বয়স যায় না থেমে,/ এ বয়সে তাই নেই কোনো সংশয় -/ এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।।’
সুকান্ত এই যে বারেবারে আঠারোর স্পর্ধার কথা বলছেন, তা আসলে uncompromising এবং একইসাথে rebellious attitude বা mentality-র ধারক-বাহক।
সুকান্ত কৃষকশ্রেণীর স্বর হয়েছেন যেমন, তেমনই দেশের অগ্রগতির স্বার্থে কলকারখানা বা শিল্পেরও সমর্থক। কোথাও কোনও বিরোধ বা bias রাখছেন না। তাই উনি লিখতে পেরেছেন ‘জবাব’ কবিতায় – ‘শ্রমিক দৃঢ় কারখানায়, কৃষক দৃঢ় মাঠে,/ তাই প্রতীক্ষা, ঘনায় দিন স্বপ্নহীন হাটে।/ তীব্রতর আগুন চোখে, চরণপাত নিবিড়/ পতেঙ্গার জবাব দেবে এদেশে জনশিবির।।’
সুকান্তের কবিতা বা ব্যক্তি সুকান্তের কথা যদি বলি, তবে বলতে হয় – বিলাস বা সেকেণ্ডারি নেসেসারি আইটেমের বদলে প্রাইমারি আইটেম মানে যাদের আমরা খুব সংক্ষেপে ও সহজ করে basic needs কথাটা বলি আরকি, সেগুলোর ওপরেই জোর দিয়েছেন তিনি। তিনি একটি সমাজের কথা ভাবেন বা বলা ভালো যার জন্য তিনি vocal হন, সেখানে তিনি বিভেদ বা বিভেদ সৃষ্টিকারী কোনও কিছু রাখতে চান না। তিনি প্রকৃতঅর্থেই একজন প্রগতিশীল মানসিকতা ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষের মতো কথা বলেছেন; আরও সঠিকভাবে বলতে গেলে এই তুলনাকারী শব্দ ‘মতো’-টিকে সরিয়ে আমরা বলতে পারি তিনিই হয়ে উঠছেন সেই প্রগতিশীল মানুষটি তাঁর যুবাকালেই। আর যে কারণে তিনি লিখছেন – “খাদ্য এবং প্রতিরোধ উভয়য়েরই চাই,/ হিন্দু এবং মুসলমানে মিলন হবে তাই।/ উভয়ের চাই স্বাধীনতা, উভয় দাবীই সমান, দিকে দিকে ‘খাদ্যলাভ’ একতারই প্রমাণ।/ প্রতিরোধের সঠিক পথে অগ্রসর যারা,/ ঐক্যবদ্ধ পরস্পর খাদ্য পায় তারা।।’’
ঠিক এভাবেই বা বলা ভালো আরও অনেকভাবেই সুকান্ত ভট্টাচার্য কোনও নির্দিষ্ট সময়ের কবি হওয়ার প্রলোভন থেকে নিজেকে মুক্ত করলেন এবং একজন সময়োত্তীর্ণ কবি হিসেবে নিজেকে সুনিশ্চিত করলেন। তিনি জানেন, খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থানের মতোই স্বাধীনতাও যে একটি অতি আবশ্যক উপাদান বেঁচে থাকতে গেলে, এবং সেই স্বাধীনতা, সেই পরিবর্তন আসে উন্নত চেতনার বিকাশের দ্বারা, আর সেটি আবার একজন কবির দায়িত্বের মধ্যে পড়ে জাগরিত করা তাঁর লেখার মধ্য দিয়ে – আর জানতেন বলেই তিনি একজন শরীরে তরুণ বা যুবক, যা-ই বলি না কেন আমরা, তা হয়েও তিনি আমাদের চিন্তার দিক খুলে দিতে পারছেন শতবর্ষে এসেও – বা তার পরেও যে তিনি এই একই কাজটি করতে সক্ষম হবেন, তা বলাই বাহুল্য – বরং অধিকমাত্রায় নিশ্চিত হয়েই একপ্রকার বলা যায়।

